Friday, 1 April 2016

বাংলা ফান

খাওয়া নাই দাওয়া নাই
ব্রাউজিং ফেসবুক
দিবানিশি সেথায়ই
যেন আছে সব সুখ।
ফেসবুক শুধু সর্বাধিক ব্যবহারকারীর ওয়েবসাইটই নয়,
আবালবৃদ্ধবণিতার মুখে সর্বাধিক উচ্চারিত শব্দও
বোধকরি ফেসবুকই। চলেন, ফেসবুক নিয়া কিছু কপচাই,
নাকি জোকসাই?

স্কুলপড়ুয়া ছেলেটা তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখল,
‘ক্লাসরুমে বসে বসে ফেসবুকিং করছি। হা হা…কী মজা।’
সঙ্গে সঙ্গেই কমেন্ট লিখলেন শিক্ষক, ‘বেরিয়ে যাও।’
শিক্ষকের কমেন্টে লাইক দিয়ে ছেলেটির মা লিখলেন,
‘আজকে আসো বাসায়। এই অপরাধের শাস্তিস্বরূপ তুমি
আজ ঘর ঝাঁট দেবে, ঘর মুছবে এবং থালাবাসন ধুবে।’
মায়ের কমেন্টে লাইক দিল বাসার কাজের লোক!

মা ও ছেলের মধ্যে চ্যাটে কথোপকথন চলছে।
মা: হোমওয়ার্ক শেষ করেছ?
মা: ভাত খেয়ে থালাবাসন ধুয়ে রাখবে কিন্তু।
মা: দরজা-জানালাগুলো বন্ধ করেছ?
মা: জামাকাপড়গুলো ইস্ত্রি করে রাখো। কাল খুব
সকালে স্কুলে যেতে হবে।
মা: শোন, তোমার বাবা আর আমি ঠিক করেছি, তোমাকে
একটা ল্যাপটপ কিনে দেব।
ছেলে: সত্যি?
মা: না। শুধু নিশ্চিত হলাম, তুমি ওপাশে আছ কি না।
---
বস কেমন করে বশ করলেন স্টাফদেরকে? জানুন।
এক অফিসের কর্মচারীরা সবাই পৌঁছে যান একদম ঠিক
সময়ে।
বসকে বললেন তাঁর এক বন্ধু, ‘তোমার কর্মচারীদের কী
এমন জাদু করেছ যে তাঁরা এত সময়ানুবর্তী হয়ে গেল?’
বস হাসতে হাসতে বললেন, ‘জাদু না হে, আমার অফিসে
একটা চেয়ার কম। সবাই সময়মতো পৌঁছাতে চেষ্টা করে,
যেন দাঁড়িয়ে থাকতে না হয়!’
---
অফিস নিয়ে বা বস কে নিয়ে আরেকটা-
অফিসের বস কর্মচারীদের বললেন, ‘আজ আমার মনটা
বেশ ভালো। বলো, তোমাদের কী দাবিদাওয়া। আজ সব
শুনব।’
এক কর্মচারী বললেন, ‘স্যার, আমরা ছুটি খুবই কম পাই।
ছুটি একটু বাড়িয়ে দেওয়া যায় না?’
বস: কী রকম ছুটি চাও, বলো?
কর্মচারী: ছয় মাসের ছুটি, বছরে দুবার!
---
চলছে আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি টুর্নামেন্ট।
ক্রিকেটজ্বরের এই সময়ে বহুল পঠিত কিছু 'ক্রিকেটীয়
জোকস'-

চিৎকার করে এলবিডব্লিউর আবেদন করল বোলার,
‘হাউজ দ্যাট!’
এদিকে ব্যাটসম্যান তখন পায়ে বল লেগে ব্যথায়
কোঁকাচ্ছে। ধীর পায়ে ব্যাটসম্যানের দিকে এগিয়ে গেলেন
আম্পায়ার। বললেন, ‘হাঁটতে পারবে তো?’
ব্যাটসম্যান: হুম। রানার লাগবে না। আমি রান করতে
পারব।
আম্পায়ার: রান করতে হবে না। হেঁটে হেঁটে প্যাভিলিয়নে
ফিরতে পারলেই হবে। তুমি আউট।

খেলার মাঝপথে এক ফিল্ডারকে বললেন আম্পায়ার,
‘অনেকক্ষণ ধরে লক্ষ করছি। এখন আর না বলে পারছি
না। তুমি ব্যাটসম্যানকে ভেংচি কেটে বিরক্ত করছ কেন?’
ফিল্ডার: আমিও অনেকক্ষণ ধরে লক্ষ করছি। এখন
আর না বলে পারছি না। ক্রিজে কী হচ্ছে, সেদিকে
আপনার একেবারেই মনোযোগ নেই!

No comments: