Thursday, 11 August 2016

MY STORY

তবুও ভালবাসি 

লেখক :- আবুল কাশেম মামুন

এইতো সেদিনের কথা যখন পলাশ প্রেম কি সেটি জানত না।  কিন্তু কোন এক ঘটনাচক্রে তার দেখা হয়ে যায় রিয়া নামে একটি মেয়ের সাথে।  মেয়েটিকে দেখার সাথে সাথে তার মধ্যে কেমন যেন পরিবর্তন দেখা যায়

রিয়া ও পলাশ একই এলাকায় থাকে॥  রিয়ার সাথে পলাশের প্রথম দেখা হয় রাস্তায়।

পলাশ :- আপনাকে সঠিক চিনলাম না.?
রিয়া :- আমি রিয়া এলাকায় নতুন ভাড়াটিয়া আপনি কে.?
পলাশ :- পলাশ। 
রিয়া :- ওহ ...তা কোন দরকার আমার সাথে..?
পলাশ :- না ..এমনি জিজ্ঞেস করলাম
রিয়া :- তাহলে আমি আসি..

এই কথা বলে রিয়া তার বাসার দিকে রওয়ানা দিল। 

পলাশ বিবিএ ফাইনাল সেমিষ্টারে আছে AIUB তে। পাশাপাশি টিউশনি করে।  রিয়া সবে মাত্র HSC পাশ করেছে।  ভালো একটা ভার্সিটিতে ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে। 

রিয়াকে দেখে পলাশের কেন কাজে মন বসে না।  সারাক্ষণ শুধু তার কথা ভাবে।  কিন্তু রিয়ার মধ্যে কোন ধরণের অনুভূতি নেই পলাশের প্রতি।

এভাবে কিছুদিন কেটে গেল ....
তারপর আবার পলাশ আর রিয়ার দেখা

পলাশ :- একটু দাড়াঁবে কি..?
রিয়া :- কেন..?
পলাশ :- কথা ছিলো ..?
রিয়া :- আপনার সাথে আমার কোন কথা নেই
পলাশ :- ভালবাসি তোমায়
রিয়া :- শুনুন এইসব ব্যাপারে আপনার প্রতি আমার কোন ফিলিংস নেই প্লিজ আপনি চলে যান
পলাশ :- তোমায় প্রথম দেখার পর আমি ভালবেসে ফেলেছি
রিয়া :- এটা আপনার ব্যাপার ..বাট আমি আপনাকে কোনদিন ভালবাসব না
পলাশ :- তবুও তোমায় ভালবাসব...

কিন্তু এই কথার কোন উত্তর না দিয়ে রিয়া চলে গেল

রিয়া বুঝতে পারল পলাশ তাকে ভালবাসে পাগলের মতো কিন্তু রিয়া তো পলাশকে ভালবাসতে পারবে না কারণ রিয়া ভালবাসে রাহুল কে আর বিয়ে ঠিক হয়ে আছে 
তিনমাস পর......

রাত পোহালেই রিয়ার বিয়ে ।  পলাশ বিয়ের দাওয়াত পেয়েছে কিন্তু যায়নি যদি রিয়ার কোন সমস্যা হয়।  ধুমধাম করেই রিয়ার বিয়ে হলো  বিয়ের পর তারা আমেরিকা চলে গেল

কেটে গেল ৩৫ বছর

পলাশ এখনো বিয়ে করেনি সদ্য চাকরি থেকে অবসরের পর হার্টের চিকিৎসার জন্য আমেরিকা যাওয়ার পথে এয়াপোর্টে রিয়ার সাথে দেখা..

রিয়া :- পলাশ
পলাশ :- রিয়া.
রিয়া :- হুম ..
পলাশ :- কেমন কাটের সংসার জীবন...?
রিয়া :- স্বামী মারা গিয়েছে কিছুদিন হলো দুই ছেলে আর এক মেয়েকে নিয়ে সুখেই আছি আপনার খবর কি
পলাশ :- এইতো কোন রকম আছি একাকিত্ব জীবন নিয়ে
রিয়া :- কেন বউ কই
পলাশ :- বিয়ে করিনি
রিয়া :- কেন.? 
পলাশ :- যাকে ভালবেসেছি তার বিয়ে অন্য একজনের সাথে হলো তাই

রিয়ার আর বুঝতে বাকি রইলো না পলাশ যে কতখানি ভালবাসে

পলাশ রিয়াকে এখনো ভালবাসে কিন্তু চায়না রিয়াকে কষ্ট দিতে

কিছু ভালবাসার শেষ দিতে নেই তাহলে ভালবাসার স্বার্থকতা থাকে না

Thursday, 14 July 2016

Story

এক মুঠো প্রেম

আবুল কাশেম মামুন

সকাল ১০:০৫ মিনিট.........

চারিদিকে মুষলধারে বৃষ্টি  হচ্ছে।  বাইরে বের হবার কোন সুযোগ নেই।  আবির রুমে বসে ফেইসবুক উইজ করছে।  হঠাৎ মিথিলা ম্যাসেজ দিলো .....

মিথিলা :- আবির..
আবির :-  বলেন মহারাণী..
মিথিলা :- দেখা করবে এখন...?
আবির :- এই বৃষ্টির মাঝে.
মিথিলা :-  হুমম.... খুব বেশী দরকার আসো না ক্যান্টিনে..?
আবির :- আধা ঘন্টা অপেক্ষা করো আমি আসতেছি.....

আবির ও মিথিলা একটি প্রাইভেট ভার্সিটি তে পড়ে।  দুজন দুজনকে প্রচন্ড ভালবাসে। 

সকাল ১০:৪০ মিনিট

ক্যান্টিনে আবির ও মিথিলা পাশাপাশি বসা

আবির :- কেন আসতে বলছো..?
মিথিলা :- আমার বিয়ে ঠিক...
আবির :-Congratulation.....!!!
মিথিলা :- ফাজলামী ছাড়ো
আবির :- এখানে ফাজলামীর কি হলো এটা তো আনন্দের খবর
মিথিলা :- আজব মানুষ তো তুমি ... !!!
আবির :- এটা তো জেনেই ভালবাসছো
মিথিলা :- তুমি বাসো না...?
আবির :- বাসি তো
মিথিলা :- তাহলে কিছু করছো না কেন..?
আবির :- এখনো সময় হয় নাই বিয়ে করার
মিথিলা :- কবে হবে ?
আবির :- যেদিন চাকরি পাবো
মিথিলা :- আমার বিয়ের দাওয়াত রইলো
আবির :- ওকে.........

মিথিলা তার পথে চলে যেতে লাগল অশ্রুসিক্ত নয়নে ।  একটুকুই পিছু ফিরে থাকালো না।  আবির খোলা আকাশেক দিকে অবাক নয়নে চেয়ে রইলো।  কিছু করার ছিলো না তার.....

কিছু দিন পর আবিরের বাসায় মিথিলার এক কাজিন আবিরকে বিয়ের নিমন্ত্রণ দিয়ে গেলো।  আবির তা সাদরে গ্রহণ করলো।

১২-১২-১২ ইং

ম্যাজিক ডে মনে হতে পারে সবার কাছে।  কিন্তু তা আবিরের কাছে মোটেই দিনটি আনন্দের নয়।  কারণ আজ মিথিলার বিয়ে।  আবির  তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলো ডিএক্টিভ করে দিয়েছে।  মোবাইল ও বন্ধ ।

১৩-১২-১২ ইং

আবিরের বাসায় কলিংবেল বাজলো ..... আবিরের মা দরজা খুলে দিলেন...

মিথিলা :- আসসালামু আলাইকুম আন্টি
আবিরের মা :- ওয়ালাইকুম সালাম.. কে মা তুমি
মিথিলা :- আন্টি আমি মিথিলা..আবির বাসায় আছে
আবিরের মা :- তুমি বসো মা ড্রইং রুমে আমি ডেকে দিচ্ছি
মিথিলা :- ঠিক আছে আন্টি...

আবিরের মা আবিরকে ডেকে দিলেন।  আবির মিথিলা কে দেখে চমকে গেল...

আবির :- তুমি একলা কেন..? তোমার হাজবেন্ড কই..?
মিথিলা :- চলো আমার সাথে..
আবির :- কোথায়..?
মিথিলা :- যেতে যেতে বলবো....

গাড়িতে বসে আছে দুজন ।  অভিরাম গতিতে চলছে গাড়িটি।  কোন গন্তব্য নেই ।

আবির :- কই যাচ্ছি আমরা...?
মিথিলা :- কাজ্বী অফিসে..
আবির :- কেন...?
মিথিলা :- বিয়ে করতে
আবির :- পাগল নাকি...? তোমার বিয়ে হয়ে গিয়েছে
মিথিলা :- সমস্যা কি ?   আবার হবে
আবির :- মানে বুঝলাম না
মিথিলা :- চুপ করে বসে থাকো কোন কথা বলবে না

আবির বাধ্য ছেলের মত বসে রইলো।   কিছুক্ষণ পর তারা কাজ্বী অফিসে গিয়ে বিয়ে করলো..

সন্ধ্যার বাসে তারা চট্টগ্রামের পথে রওয়ানা দিলো ..পাশাপাশি দুই সিটে বসা দুজন কোন কথা নেই

মিথিলা :- কিছু বলছো না যে
আবির :- তুমি কথা বলতে নিষেধ করছো
মিথিলা :- আজব তুমি..একটা কথা বলি..?
আবির :- বলো
মিথিলা :- আমি পালিয়ে এসেছি এগারো তারিখ রাতে।  দুইদিন রুপার বাসায় ছিলাম..
আবির :- কেন পালালে...?
মিথিলা :-  পাত্র পছন্দ হয় নাই
আবির :- আমাকেও না
মিথিলা :- না হলে তোমার সাথে পালিয়ে যাচ্ছি
আবির :- ওহ ..আচ্ছা...

চট্টগ্রামে আবির তার কাজিনের বাসায় ভাড়া নিয়ে রইলো ।  নতুন করে তারা সংসার গোঁছাতে লাগল...

আবির :- বউ.....
মিথিলা :- কি...?
আবির :- এক মুঠো প্রেম দিবে.....?
মিথিলা :- সারাজীবন পাশে রাখবে...?
আবির :- মহারাণী আমার....
মিথিলা :- আই লাভ ইউ...♥♥♥
আবির :- লাভ ইউ টু....♥♥♥

Friday, 27 May 2016

☜ ♥ ☞ বাংলা সিনেমার কিছু কমন ডায়লগ ☜ ♥ ☞

১) মা, আমি ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হয়েছি।
২) তোমার স্থান পায়ে না মা , বুকে।
৩) আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না।
৪) ছেড়ে দে শয়তান, ছেড়ে দে। তোর কি মা বোন নেই
৫) তুই বামন হয়ে আকাশের চাদের দিকে হাত বাড়াস,
তোর এতো বড়ো সাহস।
৬) তুই আমার দেহ পাবি তো মন পাবি না।
৭) অপারেশন সাকশেসফুল।
৮) চৌধুরী সাহেব, টাকা দিয়ে মানুষ বিবেচনা করা যায়
না।
৯) তোর জন্য আমার ১২ টা বছর জেলে কেটেছে,
ফিরিয়ে দে আমার ১২ টা বছর।
১০) তুমি আমার জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছো।
১১) অপরাধী যেই হোক না কেন, আইন সবার জন্য
সমান
১২) না মা না, এমন কথা বলোনা। আমি ঐ মাস্তানকে
বিয়ে করতে পারবো না। আমার পেটে যে রাজ এর
সন্তান।
১৩) আজ তোর একদিন কি আমার একদিন।
১৪) সানডে-মানডে ক্লোস কইরা দিমু।
১৫) তোমাকে আমি ত্যাজ্য পুত্র ঘোষণা করলাম।

বাংলা সিনেমার অবিস্মরণীয় ডায়লগুলোর সংকলনঃ চৌধুরী সাহেব টাকা দিয়ে ভালবাসা কেনা যায় না

ছোটবেলায় বিটিভিতে প্রতি শুক্রবার বিকেল ৩.১৫
মিনিটে পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা ছায়াছবি দেখেনি এমন মানুষ
কমই আছে । আসলে তখন তো বিটিভি ছাড়া আর কোন
চ্যানেল ছিল না তাই বাধ্য হয়েই দেখতে হত । মনে
আছে পরিবারের সবাই মিলে একসাথে মুড়ি মাখিয়ে
বাংলা সিনেমা দেখার মজাই ছিল আলাদা । সেই
সিনেমাগুলো দেখতাম আর ডায়লগগুলো মুখস্ত করতাম
। পরদিন স্কুলে গিয়ে আমরা বন্ধুরা ডায়লগগুলা নিয়া
অনেক হাসাহাসি করতাম । বলতে দ্বিধা নেই বাংলা
সিনেমা ছিল তখন এক পারফেক্ট বিনোদন ।
এই পোস্টে আমি সিনেমার সেই বিখ্যাত ডায়লগগুলো
এক করার চেষ্টা করেছি । মাঝে মাঝে দেখব আর
হাসাহাসি করব তো তাই । আমি পরিচিত কয়েকটা
ডায়লগ দিলাম । আপনাদের ভান্ডারে কিছু থাকলে দিন
এড করে নেব । চাইলে ঘুরিয়ে পেচিয়ে আপনি নিজেও
ডায়লগ বানিয়ে দিতে পারেন , দেখবেন সেইটাই হিট
বলেন তো বাংলা সিনেমার সবচেয়ে বিখ্যাত ডায়লগ
কোনটা ?? আসুন সেটা দিয়েই শুরু করি....
# চৌধুরী সাহেব মনে রাখবেন টাকা দিয়ে ভালবাসা
কেনা যায় না ।(তয় গুড হাউস কেনা যায়))
# বাবা থাক তুমি তোমার টাকার পাহাড় নিয়ে , আমি
চললাম কাল্লুর সাথে
# কি তোর এত বড় স্পর্ধা , সামান্য একটা স্কুল
মাস্টারের ছেলে হয়ে আমার মেয়ের সাথে প্রেম করিস
# এই যে মিস্টার আপনি জানেন আমি কে ?? (জানলে
কি আর ছাড়ুম নাকি
# কি বলে যে আপনাকে ধন্যবাদ দেব , আজ আপনি না
থাকলে কি যে হত ?? (কি আর হত গুন্ডাদের হাতে
ইজ্জত ভাগাভাগি হত)
# মা মা আমি পাশ করেছি , মা আমি চাকরি করব ,
আমাদের আর কোন দুঃখ কষ্ট থাকবে না মা । মা
বলবেন ইয়া আল্লাহ তোমার দরবারে লাখ লাখ শোকর
# ছেড়ে দে শয়তান , তোর ঘরে কি মা বোন নেই !!
# শয়তান তুই আমার বাবাকে মেরেছিস , আমাকে
পিতৃহারা করেছিস , আমার আমাকে বিধবা করেছিস , ইয়া
ঢিসুম্মম
# শয়তান ফিরিয়ে দে আমার হারিয়ে যাওয়া ২০ টি বছর
, ফিরিয়ে দে আমার হারিয়ে যাওয়া ছোট ভাইকে
# খোকা এই তোর বাবার খুনিইইই , প্রতিশোধ নে
এবার আপনাদের পালা । ডায়লগ দিতে থাকুন
* অথৈ সাগরঃ মা মা আমি ফাস কেলাস ফাস হয়েছি
* শিপু ভাই বলেছেন:
হাউ ডেয়ার ইউ!!! তোমার এত বড় সাহস!!!
* অথৈ সাগর বলেছেন: নায়িকা-- শয়তান তুই আমার
দেহ পাবি মন পাবি না লুল -- তাতেই আমার চলবে
* sumon3d বলেছেন:
নায়িকা: ছেড়ে দে শয়তান।তুই আমার দেহ পাবি তো মন
পাবি না। ভিলেন : ওটাই তো চাই সুন্দরী।
* লিন্কিন পার্ক বলেছেন: আপনাকে কোথায় যেন
দেখেছি
* ছাইরাছ হেলাল বলেছেন:
আপনি অনেক মজার
* বেঈমান আমি বলেছেন: সেই সুযোগ তুই পাবি না
শয়তান

বাংলা সিনেমার বিখ্যাত সব ডায়লগ

একবার চিন্তা করে দেখেনতো, এই সব ডায়লগ কই
শুনছেন? কত্তবার শুনছেন??
১. চৌধুরী সাহেব টাকা দিয়ে আপনি সব কিনতে
পারলেও আমার ভালোবাসা কিনতে পারবেন না
২. বাঁচাও। বাঁচাও।। ছেড়ে দে শয়তান।। তোদের কি মা-
বোন নেই???
৩. এই ছাড়োনা, কেউ দেখে ফেলবে তো
৪. চৌধুরী সাহেব আমরা গরিব হতে পারি, কিন্তু আমরা
মানুষ, আমাদেরও ইজ্জত আছে
৫. মেমসাহেব আপনারা বড়লোক, আমরা গরিব।।
ভালোবাসা আপনাদের কাছে খেলনা, খেলা শেষে ছুড়ে
ফেলে দেন
৬. তোর এত্ত বড় স্পর্ধা, সামান্য ট্যাক্সি ড্রাইভার
হয়ে আমার মেয়ের দিকে চোখ দিস
৭. এই নির্জন বনে তোকে কেউ বাঁচাতে আসবেনা
সুন্দরী
৮. তুমি এইখানে, আর ওইদিকে তোমার মাইয়া নদীর ঘাটে
গফুরের লগে ফস্টি-নস্টি করতাছে
৯. ছুঁচো মেরে হাত গন্ধ করে লাভ নেই। এমন কাজ
করবো যাতে সাপও মরবে কিন্তু লাঠিও ভাংবেনা।।
১০. মানিক ওই তোর হারিয়ে যাওয়া ছোট ভাই রতন।।
১১. ডাক্তার সাহেব আমি সব দেখতে পাচ্ছি। আমি সব
দেখতে পাচ্ছি।।
১২. আপনাকে কি বলে যে ধন্যবাদ দিবো, সময় মতো
আপনি না এলে আজ আমার অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যেত
১৩. তোর সাহসতো কমনা, বামন হয়ে চাঁদের দিকে হাত
বাড়াস।। জানিস তোর ঐ হাত আমি কেটে ফেলতে পারি?
১৪. কে আছিস।। আমার চাবুক নিয়ে আয়।। চাপকে আমি
ওর পিঠের চামড়া তুলে নেব।।
১৫. মা আমার সব মনে পরে গেছে। আমার স্মৃতি ফিরে
এসেছে মা।।
১৬. বলতে পারেন কি দোষ ছিল আমার বাবার? কেন
তাঁকে হত্যা করা হয়েছিল?? কি দোষ ছিল আমার
নিস্পাপ ছোট্ট বোনটির??? কেন তাঁকে আত্মহত্যা
করতে হয়েছিল???? বলতে পারেন আমার মায়ের গায়ে
বিধবার কাপড় কেন????? তাঁর চোখের পানি কেন শুকায়
না??????
১৭. ঐ চৌধুরীই তোর বাবাকে খুন করেছে। যাহ্
পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নে।। এইটা তোর মায়ের আদেশ
১৮. (মেয়েকে বিদায় দেয়ার সময় বাবা) মনে রাখবি
মেয়েরা জীবনে দুইবার বাড়ি থেকে বের হয়। একবার বধু
হয়ে বাপের বাড়ি থেকে, আর একবার লাশ হয়ে স্বামীর
বাড়ি থেকে।।
১৯. (নায়ক মদ খেয়ে বাড়ি ফিরলে) তুমি আবারো এসব
ছাই-পাশ খেয়েছো। রোজ রোজ রাত করে বাড়ি ফিরে
বউয়ের সাথে মাতলামি করতে তোমার লজ্জা করেনা।।
২০. (বিয়ের কিছুদিন যেতে না যেতেই নায়িকা) এই
শুনছো, আজ অফিস থেকে ফেরার সময় আমার জন্য
আচার নিয়ে আসবে কিন্তু।।
২১. রাজা ভাইয়া, লস্করের লোকজন প্রিয়া ম্যাডামকে
বাগানবাড়িতে ধরে নিয়ে গেছে। (নায়ক) লস্করররর……
২২. (নায়িকা বউ হয়ে আসার প্রথম সকালে) মা আজ
থেকে আপনার ছুটি, রান্নাঘরের সমস্ত দায়িত্ব এখন
থেকে আমার।
২৩. প্রিয়া ম্যাডাম জলদি হাসপাতালে চলেন। জ্ঞান
ফেরার পর থিক্কা রাজু ভাই খালি প্রিয়া প্রিয়া কইয়া
ডাকতাছে
২৪. ছিহ্। কি করে ভাবলি যে তোর মতো একটা ইতর,
লম্পট কে আমি ভালোবাসবো
২৫. (শশুর বাড়িতে মেয়ের দুরবস্থা দেখে বাড়িতে এসে)
শাহানা, তোমার মেয়ে খুব ভালো আছে। খুব সুখে আছে।।
ওরা তোমার মেয়েকে রাজরানী করে রেখেছে।। কত্ত
আদর যত্ন করলো।। আমাকেতো আসতেই দিতে চায়নি।।
২৬. ম্যাডাম আমার ভালোবাসা বাজারের কোন পন্য নয়
যে যখন খুশি কিনে নিবেন।
২৭. পুলিশ চারদিক ঘিরে ফেলেছে। কেউ পালাবার চেষ্টা
করবেন না।।
২৮. (মাতবর সাব নায়িকারে কাজ করতে দেখে) আহহারে
এত্ত সুন্দর হাত দুইখানরে করছো কি!! ইসশিরে দাগ
পইরা গেছে।। তোমারে কাম করতে কইছে কে? তুমি খালি
আমার সেবা করবা
২৯. (ডাক্তার) ধন্যবাদ আমাকে না, ঐ ভদ্রলোককে
দিন। উনি সময়মতো ব্লাড না দিলে রোগিকে বাঁচানো
সম্ভব হতোনা।।
৩০. আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না। অপরাধীর
বিচার করার জন্য আদালত আছে।।
৩১. আগুন নিয়ে খেলা করিসনা, একদিন এই আগুনে তুই
পুড়ে মরবি।
৩২. (জমিদার) এইটা গফুরের মাইয়া না?? ডাংগোর হইয়া
গেছে দেহি। গফুররে আইজকাই খবর দে।।
৩৩. কোথায় ছিল আপনার আইন যখন মাতবরের
লোকেরা আমার নির্দোষ বাবা-মাকে হত্যা করেছিল,
কোথায় ছিল আপনার আইন যখন ওরা আমার নিরিহ
বোনকে ধরে নিয়ে গিয়েছিল। আমার নিস্পাপ বোনটি
লজ্জায় আত্মহত্যা করেছিল, কোথায় ছিল আপনার এই
আইন??
৩৪. (নায়ক) তোমার ঐ নিস্পাপ রূপ দেখে চাঁদও লজ্জা
পাচ্ছে।। (নায়িকা) যাহ্!!
৩৫. শয়তান তুই আমার দেহ পাবি তবু মন পাবিনা