1.কলেজে লাইফ এ যখন গেলাম তখন স্কুল
লাইফকে মনে পড়ল
যৌবনে এসে শৈশব কালকে মনে পড়ল
কাঁটার খোচা খেয়ে গোলাপ কে মনে পড়ল
আর
আজ DISCOVERY Channel এ বান্দর দেইখা,
.
.
.
.
.
.
.
দোস্ত তোদের মনে পড়ল...
2. ছোট বেলায় আমাদেরকে বলা হত সব সময় বড়দের কথা
শুনতে।কিন্তু বড় হয়ে দেখলাম বড়রা ছোটদের কথা
শুনতে হয়।কারণ ছোটদের কথা না শুনলে তারা কান্না
শুরু করে।
3. ছাওয়ালপাল যে এতো রাতেও
ফেসবুকে কি করে তা বুঝি না
4. সবাইকে পুরাতন বর্ষের শুভেচ্ছা।নতুন বছর আসা মানে
জীবন থেকে একটা অধ্যায় মুছে যাওয়া।2014 শুরুটা কেমন
ছিল ঠিক মনে নেই।তবে বছরের শেষ গেছে দুসংবাদ আর
দুঃখে।একের পর এক অসুস্থতা,মৃত্যুর ও সকড় দুঘটনায়
এক বন্ধুর আহত সহ অনেক দুসংবাদ শুনে মনে হচ্ছে
আমাদের সবার মৃত্যুর কাছে আসতে একটা বছর কমে
গেল।সবাই নতুন বর্ষ শুরুটা আনন্দে কাটালেও,আমি
কাটাব দুঃখে।কারণ গত 25 তারিখ বড়দিনে আমার প্রিয়
ফুফু ইংল্যান্ডে মৃত্যু বরণ করেন।আজ উনাকে দাফন
করা হবে।কিন্তু আমি আর আমার পরিবারের সদস্যরা
শেষ দেখা দেখতে পারিনি।তাই মনটা এখন খুব খারাপ।
অন্যদেরকে সাত্ননা দিব কি করে,নিজের উপর আস্তা
হারিয়ে ফিরছি।তবুও সবাই কাছে দুয়া চাওয়া ছাড়া আমার
কাছে আর কিছু করার নেই।
5. আমিও নতুন বছর শুরু করেছি। মানে, শুরু করতে বাধ্য
হয়েছি। দুনিয়া এক বছর এগিয়ে গেছে, তাল
মিলাতে পারি আর না পারি আমিও এক বছর
সামনে গেলাম।
বছর শেষ হলে গাছে নতুন পাতা আসে, ময়ুর
পেখমে আবারো ঝড় তোলার প্রস্তুতি নেয়, শুকর
বর্ষার মিহি পানিতে নরম কাদায় ডুবার
প্রস্তুতি নেয়। আমি ?
ওটাই ওদের নতুন বছর। কারণ ওদের ক্যালেণ্ডার
নেই। আমার মানে আমাদের ক্যালেন্ডার আছে।
দুনিয়া জুড়ে মানুষকে ব্যস্ত রাখার এক দারুণ রুটিন।
কী পেলাম, কী পেলাম না, তার হিসাব
করা মানে রুটিন
কতোটা মেনে কাজে লাগিয়ে কতটুকু উপার্জন
করলাম, তার হিসাব। উপার্জন মানে টাকা, সম্মান,
পদ ইত্যাদি।
যে মানুষটি ইতস্তত ভাব নিয়ে দূরে আছে,
সে হয়তো কাছে আসতে চায় মনে মনে,
বাস্তবে পারছে না, তার জন্য কাছে আসার
পথটি কি সহজ করেছি গত বছর, না করলে এবার
করবো।
খালি পায়ে হাঁটে যে মানুষ, কথা বলতে পারে না,
শুদ্ধ ভাষায়, তার মনের কথাটি কী জেনেছি আমরা?
না জানলে, এবার জানবো।
বলছি জানবো। আসলে জানা যাবে না। ওই
যে ক্যালেন্ডার, সেটা আমাদের ব্যস্ত
রাখবে প্রতিদিন। এরইমাঝে কোন কোন দিন
আসবে অবকাশের। সংসারী মানুষের কাছে অবকাশ
মানে, সংসারে একটু বেশী সময় দেয়া।
তাহলে নিজেকে? সবার মাঝে মিশে থেকে, কাজে,
সংসারে, পথে, ঘরে, আমরা কী আর নিজেদের
আছি! এমন কী ঘুমেও তো নিজেকে দিখে না,
স্বপ্নে। দেখি, অন্যকে।
তাহলে, নতুন বছর এবং পুরনো বছরের মধ্যে পার্থক্য
কী? শুধু মনে রাখা, গেলোরে মন আরো একটি বছর।
শুভ ফেইসবুকিং
6. জীবনে সত্যিকারের বন্ধু পাওয়াটা অসম্ভব
কঠিন!
যারা একটু ওপরের লেভেলে উঠে যায়,
তারা নিচের বন্ধুদের ভাবে নর্দমার কীট!
যারা একটু নিচে থাকে,
তারা ওপরের বন্ধুদের
ভাবে করুণা দেখাতে এসেছে!
আর যারা সমান সমান লেভেলের;
তারা তো বন্ধুই নয়, যেনও রেসের ঘোড়া!
ভান করে বন্ধুত্বের বটে, কিন্তু আসলে
সুযোগ খোঁজে কে কখন কাকে পায়ে
পা বাধিয়ে ট্র্যাক থেকে ফেলে দেবে!!
7. জীবনের আজ আর আগামীর মাঝে পার্থক্য
শুনবেন,,,,
,
আজ আপনি জীবিত,কাল আপনি লাঁশ!!!
,
এখন আপনি বেঁচে আছে,কাল আপনি মৃত।পরশু
আপনার নামে
কেউ ছিলো অনেকেই মনে করতে পারবে
না।
,
আজ হাঁসছেন,সবার সাথে আড্ডা,ঠাট্টা!!জীবনটা
রঙিন মনে
হচ্ছে।
কালকে সবাই আপনার চারপাশে কাঁদছে,একত্র সবাই।
গত
দিনের মধ্যে পার্থক্য শুধু আপনি ছিলেন, আজ
নেই।
,
বড় ব্যাপারটা হলো,,আজ আপনি বর্তমান,,কাল আপনি
অতীত!!
ভাবতেই পারবেন না,,পরশু আপনি স্মৃতি ,নয়তো
দেয়ালে
টানানো কোন একটা ফ্রেমে বাধা ছবি।!!!
,
"হয়তো আপনার কাফনের কাপড় নিকটস্থ
কোনো
দোকানে এতক্ষণে এসে পড়েছে"
8. তুমি বীর তুমি চালিয়ে যাও আমরা আছি তোমার সাথে
ম্যাশ।তোমার সাথে তোমার শরীর প্রতারণা
করেছে,তোমার দু-পা প্রতারণা করেছে।কিন্তু তুমি
দেশের সাথে কোন প্রতারণা করনি।জীবনে ঝুকিঁ নিয়ে
সব সময় দেশের জন্য লড়াই করে গেছ।তোমাকে হাজার
স্যালুট।যত দিন রবে তোমার হাতে বল,তত দিন হারতে
জানবে না বাংলদেশ ক্রিকেট দল।
9. কোন প্রয়োজনে আমি যখন আমার গ্রামে বাড়িতে
যাই,তখন সময় করে আমি আমার দাদা-দাদি,আত্নীয়-
স্বজন সহ এলাকার ময়-মুরবির কবর জিয়ারত করি।
অনেক দিন ধরে গ্রামের বাড়িতে যাই নি।যাব যাব বলে
আমি নিয়ত করছিলাম নতুন বছরে কবর জিয়ারত করব
বলে।কিন্তু বিভিন্ন কারণে সময়ের করতে পারিনি।তাই
আজ সময় করে কবর জিয়ারত ও মিলাদ পড়ানোর
উদ্দ্যশে বাড়িতে রওনা হলাম।সবাই দোয়া করবেন যেন
সুষ্ঠভাবে সব কিছু শেষ করে বাসায় ফিরতে পারি।
10. গতকাল ছিল আমাদের ভাগ্না ইফাজের স্কুলে যাবার
প্রথম দিন। গত কিছুদিন থেকেই এই দিনটিকে
সামনে রেখে ওর প্রস্তুতিগ্রহণ ছিল দেখার
মতন…ড্রেস বানানো, বই খাতা কেনা, জুতা-
মোজা কেনা…সব মিলিয়ে পুরো উৎসবের
আমেজ। প্রথম দিন যাতে কোন মতেই দেরী না হয়
সেজন্য আগের রাতে নিজে নিজেই
আগেভাগে শুয়ে পড়েছিল…
ওর কাহিনী দেখে আমার নিজের স্কুলের প্রথম
দিনগুলোর কথা মনে পড়ে গেল।
11. বাঙ্গালী পড়তে তখনই আগ্রহী হয়, যখন সে অন্যের
হাতে পড়ার মত কিছু দেখে! যেমন: পেপার। 'উঁকি' দিয়ে
পেপার পড়া কমন বিষয়... আজ দেখলাম 'ঝুঁকি' নিয়ে
এক অতি উৎসাহী বাসের জানালার বাইরে মাথা বের
করে অন্য বাসের আরেকজনের পেপার পড়ছে ...!
[খবরটা কি ছিল জানতে ইচ্ছা করে :P]
12. জীবনে কোন দিন আমি ভূমিকম্প অনুভূতি বোঝতে
পারি নি।এই প্রথম ভূমিকম্প অনুভূতি পেলাম,যা
জীবনে ভূলার নয়। ভূমিকম্প এমন সময় শুরু হয়, যে
সময় সারা পৃথিবী ঘুমে থাকে।সে সময় রহমতের
সময়,ফজরে আজান পড়ে।এত দিন মসজিদ থেকে
মুয়াজ্জিন আজান দিয়ে মুসলিমদেরকে ঘুম থেকে
উঠে নামাজের জন্য আহব্বান করতেন।অথচ সে
আহব্বান খুব অল্পলোক ছাড়া কেউ শুনত না।সৃষ্টি
কর্তা আজ বুঝিয়ে দিলেন রহমতের সময় ঘুম থেকে
উঠা।এমনিতে ফজরের নামায পড়ার জন্য ঘুম থেকে
ওঠে না!! এখন
কি??? আযানের শব্দে কারো ঘুম ভাঙে না,
ঝাকিতে ঠিকই ভাঙে। আজ উঠার পরও অল্প লোক
ফজরে নামাজ আদায় করবে।আর বাকিরা ঘুমিয়ে
যাবে।ভূমিকম্প থেকে বাচার জন্য মানুষ ঘুম
ভেঙ্গে নিরাপদ স্থানে যায়।আর জাহানাম থেকে
বাচতে মানুষ নামাজ পড়তে রাজি হয় না। আল্লাহ
চাইলে এই ভুমিকম্পে আজ আমাদের ঘুমের
ঘোরে ধংস করে দিতে পারতেন। কিন্তু তিনি
দয়ালু
তাই তা করেন নি। আজ আমরা
ভূমিকম্প থেকে বেচে গেলাম মহান আল্লাহ
দোয়া।
13. মনটা খুবই খারাপ।কারণ আমি পিএসসি পরীক্ষায়
ফেল করছি।এই জন্যআমার HAPPY NEW YEAR আর
হেপি রইল না।
14. রুপে মানুষের চক্ষু জুড়ায় কিন্তু গুন
জয় করে হৃদয়।
15. আপনার চোখ
আপনাকে সেটাই
দেখায়,
আপনি যা দেখতে চান।
আপনি চাইলেই
একজন মানুষের
ত্রুটিগুলো খুজে বের
করে তাকে অপ্রিয়
ভাবতে পারেন।
আবার
আপনি চাইলেই
একজন মানুষের
ভাল
দিকগুলো খুজে নিয়ে তাকে আপনার
প্রিয় মানুষের
স্থানে বসাতে পারেন।
আপনার চোখ
আপনার
দৃষ্টিভঙ্গিকে নয়,
আপনার
দৃষ্টিভঙ্গি আপনার
চোখকে নিয়ন্ত্রণ
করে।
16. "যে জাতি তার বাচ্চাদের বিড়ালের ভয় দেখিয়ে ঘুম
পাড়ায়, তারা সিংহের সাথে লড়াই করা কিভাবে শিখবে?
যারা পানিতে ডুবে যাওয়ার ভয়ে তার সন্তানকে ডোবায়
নামতে দেন না,
কিভাবে সে সন্তান আটলান্টিক পাড়ি দিবে?"
# বাংলার বাঘ
17. স্বদেশ -
আহসান হাবীব
এই যে নদী
নদীর জোয়ার
নৌকা সারে সারে,
একলা বসে আপন মনে
বসে নদীর ধারে
এই ছবিটি চেনা।
মনের মধ্যে যখন খুশি
এই ছবিটি আঁকি
এক পাশে তার জারুল গাছে
দু’টি হলুদ পাখি,এমনি পাওয়া এই ছবিটি
কড়িতে নয় কেনা।
মাঠের পরে মাঠ চলেছে
নেই যেন এর শেষ
নানা কাজের মানুষগুলো
আছে নানান বেশ,
মাঠের মানুষ যায় মাঠে আর
হাটের মানূষ হাটে,
দেখে দেখে একটি ছেলের
সারাটাদিন কাটে।
এই ছেলেটির মুখ
সারাদেশের সব ছেলেদের
মুখেতে টুকটুক।
কে তুমি ভাই,
প্রশ্ন করি যখন,
ভালবাসার শিল্পী আমি,
বলবে হেসে তখন।
এই যে ছবি এমনি আঁকা
ছবির মত দেশ,
দেশের মাটি দেশের মানুষ
নানান রকম বেশ,
বাড়ি বাগান পাখ-পাখালি
সব মিলে এক ছবি,
নেই তুলি নেই রং তবুও
আঁকতে পারি সবই।
18. আমাদের দেশের
মধ্যবিত্ত
পরিবারের
সন্তানদের
মা বাবার
অপূর্ণ
স্বপ্নগুলো চাপিয়ে দেওয়া হয়
সন্তানদের কাঁধে।
ছোট
বেলা থেকেই
ডাক্তার
অথবা ইঞ্জিনিয়ার
হবার
চাপে হারিয়ে যায়
প্রতিভাগুলো।
তাইতো আমাদের
দেশে সাঁতার
ইতিহাসে আর এক
কিংবদন্তির নাম
'মাইকেল ফেলপস"
অথবা "উসাইন
বোল্ট" জন্মায় না।
বিদেশে যেই
ছেলের
বিজ্ঞানী হবার
কথা বাংলাদেশে থাকলে সে হয়
রাজনীতিবিদ...
আর ভুল করেও
যদি কোন
ভিন্নধর্মী চিন্তা বের
করেন
তাহলে সমাজের
মানুষ গুলোই
আপনার
দিকে নাকটা বাঁকা করে তাকাবে...।
এই অবস্থার জন্য
প্রশাসন, সমাজ,
পরিবার...
কমবেশি সবাই ই
দোষী।
শুধু আফসোস এর
ব্যাপারটা হচ্ছে,
এতোটা পিছিয়ে থাকা সত্ত্বেও
পৃথিবীর
বুকে দেশকে পরিচয়
দেওয়া হয়,
"ডিজিটাল
বাংলাদেশ"
নামেই।
19. ঘুম ঘুম রাত শেষে, সূর্য আবার উঠলো হেসে ..
ফুটলো আবার ভোরের আলো, দিনটা সবার কাটুক
ভালো ..শুরু হল নতুন দিন, জানাই এইবার "গুড মর্নিং"
20. প্রতিটি মানুষের জীবনে ,
কিছু কিছু আশা থাকে ।
যা নিয়ে সে বেঁছে থাকে,
আবার সে আশা গুলো
যখন ভেঙ্গে যায়
জীবন এর সব কিছু যেন
এলো মেলো হয়ে যায
21.
জীবন শুরু হয় নিজের কান্না দিয়ে,
আর শেষ হয় অন্যের কান্না দিয়ে!!
22.
পারবে আমায় এনে দিতে
একটুকরো চাঁদের মাটি,
কিংবা হিমালয়ের চুড়ার একটুখানি বরফ!
নীল আকাশের ভেসে যাওয়া একটুকরো সাদা মেঘ
কিংবা আধাঁর রাতে তারার লেখা একটি হরফ!
পারবে দিতে নিকষ কালো অন্ধকারে সূর্যালোক
কিংবা দিতে নতুন একটি আমার সোনার বাংলাদেশ !!
23. গিয়ে ছিলাম ভারতে।সে খানে গিয়ে যোগদিলাম
ভারতের রাজনৈতিক দলে।এক বছর হতে না হতেই শুরু
হল নিবার্চন। নিবার্চনের পাথীদের তালিকায় দেখলাম
আমার নাম।দেখ আমি অবাক হলাম।তারপর
নেমে আসলাম নিবার্চন প্রচারনা করতে।
অবশেষে নিবার্চন শেষ হল।নিবার্চনে আমি জয় লাভ
করলাম। পরে শুরু হল মন্ত্রী সভা গঠন করার কাজ।
সেখানেও আমার নাম। শুধু প্রধান মন্ত্রী বাদে,
সবাইকে মন্ত্রীর পদ দেওয়া হল। বাকি লইলাম
আমি সহ আরও কয়েকজন।আমি ভাবতে লাগলাম
মনে হয় মন্ত্রী হতে পারব না।অনেক দুঃখ পেলাম।
পরে বলা হল প্রধানমন্ত্রীর নাম । সেকি আমার নাম।
আমি আমার নাম শুনে আনন্দে হাসতে লাগলাম।
পরে বাংলাদেশ, আমেরিকা সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ
থেকে আমাকে শুভেচ্ছা জানানো হল।বলিউড, ভারতের
ক্রিকেট টিম সহ অনেক সংঘগঠন
থেকে আমাকে শুভেচ্ছা জানানো হল। এসব
দেখে বিশ্বাস করতে পারছিনা।পরে আমি আমার
হাতে একটু জোরে চিমটি মারলাম।
একি আমি তো বিছানায়। এতকন কি স্বপ্ন দেখলাম।
24.
১.পান্তা ইলিশ আর পহেলা বৈশাখ এর শুভেচ্ছা।
২.নতুন বছরের নতুন দিন আমার শুভেচ্ছা সবাই নিন।
৩.আজ ১৪২১ বাংলা রোজ সোমবার ১লা বৈশাখ।
আমরা সবাই আজকের দিনে পুরাতন বছরকে বিদায় আর
নতুন বছর স্বাগত জানাই ।
25.
No comments:
Post a Comment