রাত প্রায় 2 টা বাজে।আমি রাহাত ঢাকা থেকে এসে বাসস্ট্যান্ড এর নামলাম।নেমে দেখলাম বাসার যাওয়ার মত কোন যান-বাহন নেই।তাই হেঁটে রওনা দিলাম।®
বিদ্যুৎ নেই।রাস্তাটা অনেক অন্ধকার।আমি একা একা অন্ধকারে হেটে বাসায় যাচ্ছি।আশে-পাশে কোন মানুষ নেই।আমি কিছুই অন্ধকারে মাঝে দেখতে পারছি না।পকেট থেকে মোবাইলটা বের করলাম।তার পর লাইট জ্বালিয়ে হাঁটতে শুরু করলাম।একটু সামনে আসতেই দেখলাম দুজন অপরিচিত লোক আমার সামনে এসে দাঁড়িয়ে আছে।তারা একটা বাসা খুঁজছে।অন্ধকারের জন্য তারা ঠিকানাটি খোঁজে পেতে কষ্ট হচ্ছে।এত রাতে ঠিকানা খুঁজছে দেখে অবাক হলাম।তার পর আমি ঠিকানাটি দেখলাম।ঠিকানাটি আমার ও অপরিচিত ছিল।দুঃখিত বলে তাদের কাছ থেকে সরে এলাম।হঠাৎ করে আমার মোবাইলের লাইট টা বন্ধ হয়ে গেল।আমি মোবাইলটা বার বার টিপাচ্ছি।কিন্তু আলো জ্বলছেনা।ভাবলাম মোবাইলের চার্জ শেষ।তার পর আস্তে আস্তে কোন কিছু না দেখে অনুমান করে হাঁটা শুরু করলাম।হঠাৎ করে কিসের সাথে যেন ডাক্কা খেয়ে আমি রাস্তায় পড়ে যাই।তারপর আমার সামনে একটি টর্চ লাইটের আলো জ্বলে উঠল।সামনে কে ছিল আমি দেখতে পারছি না।তবে দুজন লোক আমার সামনে ছিল সেটা বুঝতে অসুবিধা হল না।তার পর ঐলোকগুলো আমার হাত -পা বেধে,আমার পকেট থেকে মোবাইল, টাকা-পয়সা নিয়ে দ্রুত চলে যায়।আমি বার বার চিৎকার করতে শুরু করলাম।গভীর রাতে সবাই ঘুমে ছিল।তাই কেউ আমার চিৎকার শুনতে পারল না।এদিকে মশার কামড় আমি আর সইতে পারছি না।আমার হাত বাঁধা থাকার কারণে আমি মশাকে তাড়াতে পারছিলাম না।মশার কামড় খেয়ে আমি কখন যে ঘুমিয়ে পড়ছি তা বলতে পারব না।হঠাৎ কিসের যেন একটা শব্দ পেয়ে আমার ঘুম ভেঙ্গে যায়।তারপর দুচোখ খুলে দেখি সকাল হয়ে গেছে আমি বিছানায় শুয়ে আছি।
আমরা সবাই বাংলাদেশি ।আর বাংলাদেশকে নিয়ে আমরা সব সময় স্বপ্ন দেখি।কারন বাংলাদেশ আমাদের মায়ের দেশ।তাই বতমান সমাজে দেখা যাচ্ছে এদেশের মানুষ বাংলাদেশকে প্রতিদিন এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আমরা সবাই জানি একদিন লাল সবুজের বাংলাদেশ করবে বিশ্বজয়।
Saturday, 29 August 2015
কিভাবে আমি বিপদ থেকে উদ্ধার হলাম
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment